মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

এক নজরে জুরাছড়ি

এক নজরে উপজেলা

জুরাছড়ি

নামকরণ ও পরিচিতি

পাহাড় পরিবেষ্টিত একটি দূর্গম অঞ্চলের নাম জুরাছড়ি। চাকমা ভাষায় “জুর” অর্থ ঠান্ডা, “ছড়ি” অর্থ ছড়া। উপজেলা সদরের দক্ষিণে সলক নদীর উজানে জুরাছড়ি নামক একটি ছড়া রয়েছে। এ ছড়ার পানি খুবই ঠান্ডা। এ জুরাছড়ি ছড়ার নামই এ উপজেলার নামকরণ হয়েছে জুরাছড়ি। জুরাছড়ি ছিল বরকল থানার আওতাধীন একটি ইউনিয়ন। পরবর্তীতেজুরাছড়ি ইউনিয়নকে ৪টি ইউনিয়নে ভাগ করে ১৯৮০খ্রিঃসালে১৮নভেম্বরজুরাছড়িকেমনোন্নীতথানহিসেবেঘোষণাকরাহয়।পরবর্তীতেপ্রশাসনিকপুনর্বিন্যাসেরঅংশহিসেবে১৯৮৩সালের২৫জুলাইউপজেলাইউন্নীতকরা হয়।

ভৌগলিকপরিচিতি

অবস্থানঃ২২.৬৬৬৭° উত্তরঅক্ষাংশ, ৯২.৩৮৩৩° পূর্বদ্রাঘিমাংশ।

এ উপজেলার উত্তরে বরকল উপজেলা, দক্ষিণে বিলাইছড়ি উপজেলা। পশ্চিমে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা এবং পূর্বে ভারতের মিজোরাম। এই দূর্গম উপজেলার জানুয়ারী হতে জুলাই মাস পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় উপজেলা সদরের সাথে নৌ যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন থাকে। তখন ব্যাপক এলাকা পানির নীচ থেকে জেগে উঠে, তাতে জনগণ চাষাবাদ করে। আবার আগষ্ট হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানি পরিপূর্ণ থাকায় জুরাছড়ি উপজেলার সাথে রাঙ্গামাটি সদরের পুন: নৌ যোগাযোগ স্থাপিত হয়। জুরাছড়ি সদরের মৈদং ও দুমদুম্যা ইউনিয়ন পাহাড়ী পথ। এই দুই ইউনিয়নে পায়ে হাটা ছাড়া কোন বিকল্প নেই। জানুয়ারী হতে জুলাই মাস পর্যন্ত জুরাছড়ি থেকে রাঙ্গামাটি সদরের যাতায়াতে ৫৭ কি:মি: পথ অতিক্রমে নৌযান ছাড়া ও পায়ে হেটে ৮/৯কি:মি: পাহাড়ি পথ অতিক্রম করতে হয়।

জনগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য

জুরাছড়ি একটি উপজাতি অধ্যুষিত উপজেলা। এ উপজেলায় চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া এবঙ অউপজাতীয় জনগোষ্ঠীর বসবাস। এর মধ্যে চাকমা উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে বেশী। উপজাতীয় লোকসংখ্যা ২১,১৫৮ জন এবং অউপজাতীয় ১,২০৭জন। তন্মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা ১৯,৯৮১জন। এখানকার অধিকাংশ জনগণই কৃষিজীবি এবং কিছু সংখ্যক মৎস্যজীবি। শিক্ষিতের হার পুরুষ ৪৭.১%, মহিলা ৩৫.৮৬% এবং গড়ে শিক্ষিতের হার ৪২%।

 

ইউনিয়নসমূহ

০৪টি।জুরাছড়ি, বনযোগীছড়া, মৈদংওদুমদুম্যা।

দর্শনীয়স্থান

জুরাছড়িউপজেলারপ্রাকৃতিকসৌন্দর্যমনোমুগ্ধকর।দক্ষিণএশিয়ারবৃহত্তমকাপ্তাইলেকওছোটবড়অসংখ্যপাহাড়েরমাঝদিয়েনৌপথেজুরাছড়িআসারপথটিসবুজশ্যামলবাংলারকথাইমনেকরিয়েদেয়।সবুজপাহাড়েরফাকেঁবিস্তীর্ণসমতলভুমি, ছোটছোটপাহাড়ীঝর্ণা, পত্রপতনশীলবৃক্ষআরপশুপাখিরঅভয়ারণ্যএঅঞ্চল।ঘিলাতলী, লুলংছড়িওশীলছড়িরপ্রাকৃতিকজলাধারথেকেসারাবছরপানিপাওয়াযায়।ঠান্ডাআরবিশুদ্ধএপানিরউৎস্যস্থলকৌতুহলীমানুষেরনিকটআগ্রহেরবস্তু।জুরাছড়িথানারপাশেঅবস্থিত২০০মিটারদৈঘ্যবিশিষ্ঠকাঠেরব্রিজটিদেখারমত।সুবলংশাখাবনবিহারওআমতলীবৌদ্ধবিহারনিরিবিলিঅবস্থিতআদর্শতীর্থস্থান।এছাড়াসাপছড়িলূলংছড়িকুসুমছড়ি, মৈদংআরদুমদুম্যাপ্রত্যন্তপাহাড়ীগ্রামগুলিআরএখানকারলোকজনেরজীবনাচার, তাদেরশিল্প-সংস্কৃতিওজুমচাষযেকোনভ্রমণপিয়াসীকেআকর্ষণকরে।

প্রখ্যাতব্যক্তিত্ব

স্বর্গীয়ভুবনজয়মহাজন

সাং-বালুখালীমুখ, মৌজা- জুরাছড়ি, উপজেলা- জুরাছড়ি, জেলা- রাঙ্গামাটিপার্বত্যজেলা।

নিজভুমিদানকরেভূবনজয়সরকারীউচ্চবিদ্যালয়ওযক্ষাবাজারপ্রতিষ্ঠাকরেন।

প্রাকৃতিকসম্পদ

এখানকারসেগুনকাঠখুবইবিখ্যাত।

নদ-নদী

সুবলংখাল

ব্যবসা-বাণিজ্য

এখানেআদা, হলুদ, তামাকওকলারব্যবসাহয়েথাকে।

যোগাযোগব্যবস্থা

লঞ্চ, ইঞ্জিনচালতবোট, নৌকাওসড়কপথেযাতায়াত।

পত্রপত্রিকা

নাই।

হাটবাজার

৫টি।

জাতীয়সংসদসদস্য

জনাবঊষাতনতালুকদার, ২৯৯পার্বত্যরাঙ্গামাটি।